1. admim@mystiqueapi.com : admim :
  2. protidinerkantho@gmail.com : দৈনিক গ্রামের কণ্ঠ : দৈনিক গ্রামের কণ্ঠ
  3. : wp_update-1716554041 :
  4. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন

সড়কে গেলো মোস্তাফিজুরের প্রাণ

আলতাফ হোসেন
  • আপডেটের সময় বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার হরিদাসকাটি ইউনিয়নের চাঁন্দুয়া গ্রামের মোঃ আমির হামজা গাজীর ছোট ছেলে মোঃমোস্তাফিজুর রহমান (মুস্তাসিন)(১৭)মটর সাইকেল এক্সিডেন্টে অপমৃত্যুর শিকার হল মোস্তাফিজুর রহমান গত(৬ই মার্চ)বুধবার আনুমানিক রাত ১০টার দিকে এই ঘঠনাটি ঘঠে।সূত্রে জানা যায় দুইটি মটর সাইকেলে ছয়জন গত বুধবার মনিরামপুর উপজেলার জয়পুর গুপের বাজার হাফিজিয়া মাদ্রাসার ওয়াজ মাহফিল শুনে সেখান থেকে মটর সাইকেলে যোগে একই উপজেলার ভবানীপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার তাফসিরুল কোরআন মাহফিল শোনার জন্য মৃত মোস্তাফিজসহ পাঁচজন বন্দু মিলে ওয়াজ মাহফিলে গেছিলো।কিছু সময় আলোচনা শোনার পরে নিহত মোস্তাফিজসহ পাঁচ বন্দু বাড়ীর উদ্দেশ্যে মটর সাইকেলে রওনা দেয়।পথিমধ্যে ঢাকুরিয়া বাজার হতে কুয়াদা রোডের সাহেব আলী মোড়ের পচ্চিম পাশে আকাবাকা রোড ক্রসিং করার সময় গাড়ী চালক নিহত মোস্তাফিজর গাড়ী নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে।মটর সাইকেলটি ড্রাইভিং করতেছিল মোস্তাফিজ। হঠাৎ করে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইলফলকে মেরে দেয়।তখন তারা একসাথে তিনজন অচেতন হয়ে যায়। তখনই অন্য গাড়ীতে থাকা সহযোগী বন্দুরা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে এবং তখনই তার পরিবারের লোকজনের সাথে যোগাযোগ করে। উদ্ধার করার সময় দেখে মোস্তাফিজের বুকের ডান পাশে আঘাত লাগে ও ডান হাত ভেঙ্গে যায়।তাৎখনিক তারা তাকে দ্রুত যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায় তখনই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে রিফার্ট করে।যশোর থেকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার সময় নড়াইলে পৌঁছানোর আগেই আনুমানিক রাত ২ টার সময় মোস্তাফিজ মারা যায়।নিহত মোস্তাফিজ রুপদিয়া জিরাট ফাজিল মাদ্রাসার আলিম দ্বিতীয় বর্ষের ভাল ছাত্র ছিলো।সে ২০২৪ সালে আলিম পরীক্ষার্থী ছিলো।অপরদিকে দিকে একই গাড়ীতে থাকা ঢাকুরিয়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছোট ছেলে ইশাফুল ইসলামের (১৭) একটি হাত ভেঙ্গে যায় বর্তমান সে যশোর পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি রয়েছে।অন্যদিকে তৃতীয় ব্যক্তি শ্রীপুর গ্রামের হবিবরের ছোট ছেলে আব্দুল হামিদের অবস্হাও খারাপ হয়ে যায়। তাঁর মাথায় আঘাত লাগে।বর্তমানে আহত হামিদ বাড়িতে আছে।মোস্তাফিজুরকে বাড়ীতে নিয়ে আসার পরে তাকে দাপন করার জন্য মনিরামপুর থানায় অপমৃত্যুর অভিযোগ দাখিল করলে থানা থেকে ততান্ত করতে আসেন মনিরামপুর থানার সাব ইন্সপেক্টর জনাব প্রসেনজিৎ তিনি সব কিছু ততান্ত শেষে করে মনিরামপুর থানার(ভারপ্রাপ্ত)ইনচার্জ এবিএম মেহেদি মাসুদের সাথে ততান্তের ব্যাপারে অবহিত করলে তখন তিনি সাব ইন্সপেক্টর জনাব প্রসেনজিৎকে মৃত মোস্তাফিজ কে দাফন করার অনুমতি প্রদান করেন।তখন মৃত মোস্তাফিজের পরিবার তাকে গোসল করায়ে ৩ টার সময় নামাজে জানাযার পড়ে দাফনের কাজ শেষ করেন।মৃত ব্যক্তিকে দেখার জন্য তাঁর মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকা বন্দু বান্দবসহ মনিরামপুর উপজেলার সকল রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীসহ ৫ নং হরিদাসকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর কবির লিটন উপস্থিত ছিলেন।এছাড়াও এলাকার সাধারণ জনগন উপস্থিত ছিলেন।মোস্তাফিজের মৃত্যতে তার পরিবারসহ এলাকার সকল ধরনের লোকজনের মাঝে শোকের ছায়ানেমে এসেছে।

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2024 LatestNews
Developed by: JIT SOLUTION